GOLBAHAR, KACHUA, CHANDPUR| Easted : 1966

মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী

সভাপতি

শিক্ষা একটি জাতির আত্মা ও উন্নয়নের ভিত্তি। একটি আধুনিক ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে গুণগত শিক্ষা অপরিহার্য। তাই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রই নয়, বরং নৈতিকতা, মানবতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি গঠনেরও পীঠস্থান।

আমাদের প্রতিষ্ঠানে আমরা চেষ্টা করি শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাতে, যাতে তারা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ সর্বদা অধ্যক্ষ, শিক্ষকবৃন্দ এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় একটি সুন্দর ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

আমি এই প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য ও অগ্রগতি কামনা করি এবং সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা এই যাত্রায় আমাদের সহযাত্রী।

মো: মিজানুর রহমান

অধ্যক্ষ

আমার আনন্দের বিষয় আশেক আলী খান উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ 1966 সালে প্রতিষ্ঠা করেন চাঁদপুর জেলার প্রথম মুসলিম গ্র্যাজুয়েট মরহুম আশেক আলী খান। একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক সম্ভাবনার আয়না। তাই অনেক পূর্ব্ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে ওয়েবসাইটের আওতায় আনা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটটি কেবলমাত্র একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব, শৃঙ্খলা এবং বহিক্রমিক পাঠ্যক্রমিক ক্রিয়াকালাপগুলিতে প্রযুক্তিগত মাত্রা সংযোজন করছেনা বরং প্রতিষ্ঠানের বহুবিধ কার্য্ক্রম এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে শেখার পদ্ধতিকে ত্বরান্বিত করেছে। আমি মনে করি, এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী আপডেট হবে এবং আমাদের দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে। আমি আশা করি যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যরা এই সাইটটি থেকে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন। আমি জ্ঞান সন্ধানকারীদের তৃপ্ত করার জন্য ওয়েবসাইটটি শিক্ষার সংস্থান সরবারহের ক্ষেত্রে গতিশীল এবং ব্যবহারকারী বান্ধব হওয়ার ইচ্ছা করি।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

অবস্থানঃ ঐতিহ্যমন্ডিত আশেক আলী খান উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজটি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার গুলবাহার গ্রামে সবুজ শ্যামল বৃক্ষে শোভিত মনোরম পরিবেশে ০৫ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। চাঁদপুর জেলার প্রথম মুসলিম গ্রাজুয়েট, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষাবিদ মরহুম আশেক আলী খান সাহেব ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে আশেক আলী খান উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে কচুয়ার উন্নয়নের প্রান পুরুষ, সাবে সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কচুয়াবাসীর নয়নমনি জননেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এম. পি. মহোদয় প্রতিষ্ঠানটিকে কলেজে উন্নীত করেন।

উন্নয়ন কর্মযজ্ঞঃ ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম. পি মহোদয়ের প্রত্যক্ষ প্রচেষ্টায় মূল একাডেমিক ভবনটি দ্বিতল থেকে চারতলায় পরিনত করা হয়। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে “ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর একাডেমিক ভবন” এর নির্মান এর কাজ সমাপ্ত করা হয়। বর্তমানে এ চারতলা একাডেমিক ভবনে কলেজ শাখার শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া ও চারতলা বিশিষ্ট “ ড. জালাল আলমগীর শুভ” একডেমিক ভবন নির্মানা করা হয়েছে।

গভনিং বডিঃ জন্মলগ্ন থেকেই মরহুম আশেক আলী খান সাহেবের যোগ্য উত্তরসূরীগন দ্বারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। বিশেষত: সাবেক এম. পি আলহাজ্ব মিসবাহ উদ্দীন খান, একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীর, জননেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এম পি. সাবেক যুগ্মসচিব নীলুফার বেগম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধুু অধ্যাপক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. মুনতাসীর মামুন প্রমুখ গুণীজন এ কলেজের গভনিং বডির সম্মনিত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে গভনিং বডির সম্মানিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ হেলাল চৌধুরী।

উর্পযুক্ত ব্যাক্তিত্ত্বদের বিজ্ঞেোচিত দিক নির্দেশনায় পরিচালিত কলেজটি ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রালয় কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বিগত বছরগুলোর ন্যায় এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফল শতভাগ পাস সহ সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে।

Playground
প্রতিষ্ঠানের অনেক বড় একটি খেলার মাঠ রয়েছে।

কুইজ প্রতিযোগিতা

অভিভাবকদের মতামত

একরাম হোসেন অভিভাবক

এই কলেজটি খুব ভাল। আমার বাচ্চারা 2017 সাল থেকে এখানে পড়াশোনা করছে I আমি তাদের পরিষেবাগুলিতে এত সন্তুষ্ট।

আরাফাত মজুমদার অভিভাবক

এই কলেজটি খুব ভাল। আমার বাচ্চারা 2017 সাল থেকে এখানে পড়াশোনা করছে I আমি তাদের পরিষেবাগুলিতে এত সন্তুষ্ট।